ঢাকা, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮, রবিবার রাত; ০৭:৩১:৫৬
বার্তা »
  

পরিচিতিঃ


 

 তার নাম মুহাম্মদ,উপনাম-আবূ আবদুলস্নাহ,উপাধিঃআমীরম্নল মুমীনিন ফিল হাদীস,নাসিরম্নল আহাদীস আন-নবুবিয়্যাহ। পিতার নাম ু ইসমাইল।

জন্মগ্রহণঃইমাম বোখারী ১৯৪ হিজরীর ১৩ শাওয়াল জুমাবার বাদ জুমা ৮১০ খ্রিঃ মুতাবিক ২১ জুলাই খুরাসানের প্রসিদ্ধ শহর বুখারায় (বর্তমান উজবেকিস্তôানে) জন্মগ্রহণ করেন।

 

শৈশবকালঃ শৈশবেই তিনি পিতৃহারা হন। মাতা তাকে লালন-পালন করেন।ইমাম বুখারী শৈশবেই তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে পেলেন। এতে তার মাতা বিচলিত হয়ে পড়েন।হঠাৎ এক রাতে স্বপ্নে দেখেন যে,হযরত ইবরাহিম (আ·) এসে তার মাকে বলছেন,তোমার ছেলের দৃষ্টিশক্তি ফিরে এসেছে।ভোরে ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখতে পান শিশু পুত্র মুহাম্মদ সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন।

শিড়্গাজীবনঃ ছয় বছর বয়সেই তিনি পবিত্র কুরআন মাজীদ হিফজ করেন। দশ বছর বয়স থেকেই তার মাঝে হাদীস মুখস্তô করার আগ্রহ সৃস্টি হয়। ষোল বছর বয়সে তিনি ওয়াকী ও ইবনুল মুবারকের কিতাব মুখ ত্ম করেন।অতপর তিনি মাতার সাথে হজ্জে যান এবং হিজাজে জ্ঞান অর্জন করেন। সেখানে ছয় বছর অবস্থানের পর দেশে ফিরে আসেন। তিনি হাদীসের জ্ঞান লাভের জন্য কূফা,বসরা,বাগদাদ,মিশর ও সিরিয়ায় সফর করেন। তিনি একহাজার আশি জন যুগশ্রেষ্ঠ মুহদ্দীসের নিকট থেকে হাদীস শ্রবন বরেন। শিড়্গাজবিন সমাপ্ত করে তিনি অধ্যাপনা শুরম্ন করেন।শুধু তার থেকে নব্বই হাজার ব্যক্তি বুখারী শরীফ শ্রবন করেছেন।

হাদীস শাস্ত্রে তার অবদানঃ হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারীর সবচেয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান হলো পবিত্র বুখারী শরীফ। তিনি ছয় লড়্গ হাদসি থেকে গভীর পরীড়্গা-নিরীড়্গা করে ষোল বছরে ৯৮টি অধ্যায় ও ৩৪৫০টি অনুচ্ছেদে মাত্র ৭২৭৫টি হাদীস বুখারী শরীফে লিপিবদ্ধ করেন। তিনি পবিত্র কাবা শরীফ ও মাকামে ইবরাহীম এর মধ্যস্থলে বসে তা রচনা করেন। প্রতি হাদসি রেখার পূবেৃ তিনি গোসল করতেন,দু রাকা‘য়াত নফল নামায পড়তেন। পবিত্র কুরআন মাজীদের পরে এটি সবচেয়ে বিশুদ্ধ হাদীস গ্রন্থ।

ইন্তিôকালঃ ইমাম বুখারী ২৫৬ হিজরী ৮৭০ খ্রিঃ মুতাবিক ৩১ আগষ্ট ঈদুর ফিতরের রাতে মাগরিব ও ইশার নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে ইন্তিôকাল করেন। তখন তার বয়স হযেছিল ১৩ দিন কম ৬২ বছর।