ঢাকা, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮, রবিবার রাত; ০৭:৩০:৫৭
বার্তা »
  

পরিচিতি


 

 তার নাম মুসলিম,উপনাম-আবুল হোসাইন,উপাধি-আসাকিরম্নদ্দীন।

জন্মঃ ইমাম মুসলিমের জন্ম সন নিয়ে ঐতিহাসিকদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। ইবনে খালিস্নকানের মতে,তার জন্ম ২০৬ হিজরী মুতাবিক ৮২১ খ্রিঃ। তবে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়,ইমাম শাফেয়ী যেদিন ইন্তিôকাল করেন সেদিন ইমাম মুসলিমের জন্ম হয়। সর্বসম্মত অভিমত,ইমাম শাফেয়ী ২০৪ হিজরীতে ইন্তিôকাল করেন। এ হিসেবে ইমাম মুসলিমের জন্ম ২০৪ হিজর িমুতাবিক ৮১৯ খ্রিঃ।

শিড়্গাজীবনঃ ইমাম মুসলিম স্বীয় পিতার নিকট প্রাথমিক শিড়্গা অর্জন করেন। অতপর চৌদ্দ বছর বয়সে হাদীসের দরসে যোগদান করেন। তৎকালীন সময়ে নিশাপুর ছিল হাদীস চর্চার শ্রেষ্ঠ কেন্দ্রস্থল। তিনি নিশাপুরের খ্যাতনামা মুহাদ্দিস ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া জুহলির মজলিসে যোগদান করেন।ইমাম জুহলির নিকট হাদীস শিড়্গা করার সময়েই ইমাম বুখারা নিশাপুরে আগমন করেন। হাদীস শাস্ত্রে বিষ্ময়কর প্রতিভা ইমাম বুখারËিক নিশাপুরের আলেম সমাজ স্বাগত জানিয়ে বরন করে নেন।ইমাম বুখারী সেখানে হাদীস চর্চার মজলিস চালু করলে অল্প সময়ের মধ্যে তা শিড়্গার্থীদের দ্বারা পূর্ণ হয়ে যায়। অন্যান্যদের মত ইমাম মুসলিমও সে মজলিসে যোগদান করেন। ইমাম মুসলি ম হাদীস সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মক্কা,মদিনা,ইরাক,সিরিয়া ও মিসর গমন করেন।

হাদীস শাস্ত্রে তার অবদানঃ ইমাম মুসলিম (র) এর সবচেয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান হলো পবিত্র মুসলিম শরীফের সংকলন। তিনি তিন লাখ হাদীস থেকে যাচাই-বাচাই করে ১৫ বছর কঠোর পরিশ্রম করে পবিত্র মুসলিম শরীফ রচনা করেন। এতে মোট সর্বমোট ৫৭৫১টি হাদীস রয়েছে। মুহাম্মদ ইবনে বিশর বলেন,হাফেজে হাদীস হলেন চার জনঃ ইমাম বুখারী,ইমাম মুসলিম,ইমাম দারেমী ও ইমাম আবু যুর’য়া।

ইমাম মুসলিমের রচনাবলীঃ তার প্রসিদ্ধ কতিপয় গ্রন্থ নিম্নে দেয়া হলঃ  ১·কিতাবুল জামে’ লি সহীহ মুসলিম ২·আল মুসনাদুল কাবীর আ’লা আসমায়ির রিজাল ৩·কিতাবুল বিজদান ৪·কিতাবুল আকরান ৫·কিতাবুল ইলাল ইত্যাদি।

ইন্তিôকালঃ ইমাম মুসলিম ৫৫ বছর বয়সে ২৬১ হিজরীর (৮৭৫খ্রিঃ)২৫ রজব রবিবার সন্ধ্যায় ইন্তিôকাল করেন।