ঢাকা, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮, রবিবার রাত; ০৭:২৮:৪৬
বার্তা »
  

কোরআন বিজ্ঞানকে পথ দেখায় : কোরআন ও বিজ্ঞান

27 Nov 2011

.

কোরআনের আয়াতের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, পৃথিবী সৃষ্টির ব্যাপারে বিজ্ঞানের আবিষ্ড়্গার কোরআনের বক্তব্যের মোটেই পরিপন্থী নয়। তবে বিজ্ঞানীদের মধ্যে কেউ কেউ পৃথিবী সৃষ্টির যাবতীয় পর্যায়ক্রমিক মেয়াদকাল, ব্যবস্থাপনাকে নিজ থেকেই বা আপনা-আপনিই সৃষ্টি হওয়ার কথা বলেছেন, আবার কেউ কেউ সৃষ্টিকর্তাকে মেনে নিচ্ছেন। আবার কেউ ভুল করছেন আরবী ভাষায় পারদর্শী না হবার কারণে। যেমন অনেকেই প্রশ্ন করেন, ‘কোরআন বলছে পৃথিবী মাত্র ছয় দিনে সৃষ্টি হয়েছে কিন্তু বিজ্ঞান বলছে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে ছয়টি মেয়াদকালে বা ছয়টি স্তরে।’ কোরআন পৃথিবী সৃষ্টির ব্যাপারে যেখানে ছয় দিনের কথা বলা হয়েছে সেখানে ‘আইয়াম’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। আরবী ‘ইয়াওমুন’ শব্দের বহুবচন হলো ‘আইয়াম’। এর অর্থ হলো দিন বা অনেক দীর্ঘ সময় এমনকি যুগকেও বুঝায়। যেমন ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ অর্থাৎ মুর্খতার যুগ। আইয়াম বা ইয়াওমুন শব্দের বিভিন্ন অর্থ রয়েছে এবং তা প্রয়োগও হয় যথার্থ ক্ষেত্রে। এ শব্দের অর্থ শুধু মাত্র দিন নয়, বিশেষ মেয়াদকালকেও ‘আইয়াম’ বলা হয়।
প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞান যেখানে ভুল করেনি সেখানে কোরআনে ও বিজ্ঞানে কোন সংঘর্ষ নেই। আর যেখানেই বিজ্ঞান ভুল করেছে সেখানেই কোরআনের সাথে বিজ্ঞানের সংঘর্ষ। বর্তমানে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের উন্নতি দেখে এক শ্রেণীর মানুষ ইসলামী জীবন ব্যবস্থা এ যুগের জন্য অনুপযুক্ত বলে ভাবছে। এ জন্যে কোরআনের বৈজ্ঞানিক আলোচনার যেমন প্রয়োজন রয়েছে তেমনি এ বিষয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করাও বর্তমান সময়ের দাবী।
কোরআন ও বিজ্ঞান
সচেতন মহল মাত্রই অবগত আছেন, বিজ্ঞান তার পূর্ব ধারণা থেকে প্রায়ই ইউটার্ণ করে অবস্থান পরিবর্তন করে। আজ যে কথা বলে, ক্ষেত্র বিশেষে আগামী কাল বলে ভিন্নরূপ কথা। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে বিজ্ঞানের সুত্র দিয়েছেন, কিন্তু পবিত্র কোরআন কোনো বিজ্ঞান গ্রন্থ নয়, অথবা এটি কোনো উন্নতমানের সাহিত্য গ্রন্থও নয়। বরং পবিত্র কোরআন হলো আয়াতের গ্রন্থ যা অগণিত নিদর্শনাবলী দ্বারা পরিপূর্ণ। মহাগ্রন্থ আল কোরআন হিদায়াতের গ্রন্থ, যা মানুষকে সকল বিষয়ে সঠিক পথ প্রদর্শন করে।
মানুষের প্রয়োজনেই কোরআনে বস্তুজগৎ তথা বিজ্ঞানের বহু বিষয় আলোচিত হয়েছে। এখানেই কোরআনের সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্ক। কোরআন প্রচলিত কোন ধর্মগ্রন্থ বা কোন বিষয়ের গবেষণামূলক গ্রন্থের ন্যায় মানব রচিত পুস্তক নয়। নবী করীম (সাঃ) পবিত্র কোরআন অবিকল যেরূপ শিক্ষা দিয়েছেন আজও তাই আছে। পৃথিবীতে কোরআনই একমাত্র মূল গ্রন্থ যা আজও অবিকৃত, যার কোন বিকল্প অনুলিপিও নেই। এ কোরআন কিয়ামত পর্যন্ত ঐ সকল মানুষকেই মহাসত্যের ব্যাপারে নির্ভুল পথ প্রদর্শন করবে, যে সকল মানুষ সত্যানুসন্ধিৎসু, সত্যের অন্বেষায় যারা ব্যকুল এবং সকল বিষয়েই যারা নির্ভুল সত্য জানতে আগ্রহী।
পবিত্র কোরআন সমগ্র বিশ্বের মহাবিস্ময় এবং নবী করীম (সাঃ) এর এক জীবন্ত মুজিযা। এ কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সবকিছু স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন। মানব গোষ্ঠীর জন্য যা অত্যবশ্যকীয় তার সবকিছুর মূলনীতি নিশ্চিত করে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে-  এ কিতাব চিরন্তন। আপনারা জানেন, আবহাওয়ার বার্তা বিভাগ থেকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়। যেমন-  এই এলাকার ওপর দিয়ে এত মাইল বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং তার সাথে জলোচ্ছ্বাস ও বৃষ্টিপাতও হতে পারে।
আবহাওয়াবিদগণ একটি সম্্‌ভাবনার কথা বলে থাকেন; কিন্তু কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না যে, এই এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হবেই। কোন বিজ্ঞানী একথা বলতে সাহস পাবে না। কিন্তু কোরআন যা বলেছে নিশ্চিত করেই তা বলেছে। যেমন-
আসমান যখন ফেটে যাবে। তারাগুলো যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে। সমুদ্র যখন দীর্ণ-বিদীর্ণ করা হবে। কবরগুলো যখন খুলে দেয়া হবে। (সূরা ইনফিতার-১- ৪)
পবিত্র কোরআনে সম্্‌ভাবনামূলক কোনো কথা নেই যে, আকাশসমূহ বিদীর্ণ হয়ে যেতে পারে, তারকাসমূহ বিক্ষিপ্ত হয়ে যেতে পারে, কবরসমূহ হতে সকল প্রাণী উত্থিত হতে পারে ইত্যাদি। মহান আল্লাহ তায়ালা সকল বিষয় নিশ্চিত করে বলেছেন। কোরআনে বর্ণিত কোনো বিষয়ে সন্দেহ বা সংশয়ের অবকাশ নেই; সবই অকাট্য।
আল্লাহ তায়ালা এ পৃথিবীতে যত সংখ্যক নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন, সকল নবী-রাসূলের কথাই এক, কেউ  দু’ধরনের  কথা বলেননি। পৃথিবীর দার্শনিক ও বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন কথা বলেছেন। কার্ল মা বলেছেন, মানুষ হচ্ছে পেট সর্বস্ব জীব। ফ্রয়েড বলেছেন, সে সর্বস্ব জীব। ডারউইন বলেছেন, মানুষতো বানরের বংশধর। পৃথিবীর বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের একজনের কথার সাথে আরেক জনের কথার কোনো মিল নেই। আর হযরত আদম (আঃ) হতে শুরু করে নবী করীম (সাঃ) পর্যন্ত সকল নবী-রাসূলের কথায় কোনো গড়মিল নেই। কেউ এ কথা বলেননি যে, পরকাল হতে পারে বা সকল মানুষের হাশরের ময়দানে হিসেব দিতে হতে পারে। এ ধরনের কোনো অনিশ্চিত কথা নবী-রাসূল বলেননি। নবী-রাসূলগণ আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে নিশ্চিত হয়ে বলেছেন।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা পাঁচটি গ্রহ একই সাথে একই রেখার মধ্যে যদি এসে যায়, তাহলে পৃথিবীর মানুষগুলো সমস্যায় পড়বে। কোরআনে কারীম সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা নেই বলে তারা এমন চিন্তা করেন। এ পৃথিবীর কিছুই হঠাৎ করে ধ্বংস হবে না। এ গ্রহগুলো যদি সুতার মালার মত একটির পর আরেকটির পিছনে কক্ষপথে ঘুরে বেড়ায় তাহলেও দুর্ঘটনা ঘটবে না। কারণ মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন-
রাত দিনকে অতিক্রম করবে না, চন্দ্র সূর্যকে ধরতে পারবে না, দিন রাতের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না, সূর্য চন্দ্রকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না, সবগুলো তার আপন আপন কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান ও স্বাতন্ত্রশীল থাকবে। (সূরা ইয়াসীন-৪০)
কোনো কিছুই স্থির নেই, সব কিছু ঘুরছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বুঝেছেন অনেক পরে। কেউ বলেছেন সূর্য ঘুরছে, কেউ বলেছেন পৃথিবী ঘুরছে। আসলে যে কি ঘুরছে তা বিজ্ঞানীরা বলতে পারবেন না। আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন-
আমি তোমাদেরকে একেবারে সামান্যতম জ্ঞান দান করেছি। (বনি ইসরাইল-৮৫)
এ পৃথিবীতে আমরা বাস করি পঁচিশ হাজার ব্যাসার্ধে (গোলার্ধে)। মহাশূন্যের দিকে যদি দৃষ্টি নিক্ষেপ করি তাহলে দেখতে পাবো, এ মহাশূন্য কি- এটা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের অনেকের ধারণা নেই। অবশ্য বিজ্ঞান নিয়ে যারা লেখাপড়া করেন, বিচার বিশ্লেষণ করেন, তারা জানেন মহাশূন্যের ভেতরে চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ইউরেনাস, নেপচুন, বুধ, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও অন্যান্য গ্রহ যা কিছু আছে, তাদের আবার প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন সৌরজগৎ আছে। সৌরজগৎ সম্পর্কে আমরা যতটুকু জানি ততটুকু নয়। বিশাল বিশাল সৌরজগৎ রয়েছে। অসংখ্য গ্যালাি রয়েছে। আবার এ গ্যালাঙ্রি ভেতর বিলিয়ন বিলিয়ন তারকা রয়েছে। সূর্য পৃথিবীর চেয়ে তের লক্ষ গুণ বড়, এ রকম তিন কোটি সূর্য খেয়ে হজম করতে পারবে, গ্যালাঙ্রি ভেতরে সেরকম দৈত্য তারকা রয়েছে অগণিত। এরপর বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন হয়ত এটাই শেষ আবিষ্ড়্গার করলেন; কিন্তু না এটাই শেষ আবিষ্ড়্গার নয়, এর থেকেও আরো অনেক কিছু অনাবিষ্ড়্গৃত রয়েছে। যেমন অদৃশ্য ব্লাক-হোল, যে সব তারকা তিন কোটি সূর্য খেয়ে হজম করে ফেলতে পারে, সে দৈত্য তারকাগুলো ঘুরতে ঘুরতে যখন অদৃশ্য ব্লাক-হোলের আওতায় এসে যায়, তখন এমন দেখায় যে-  মানুষ চকলেট চুষে নিঃশেষ করলে যেমন অবস্থা হয় ঠিক তেমনই। যে তারকা পৃথিবীর চেয়ে তের লক্ষ গুণ বড় সে তারকাগুলো ব্লাক-হোল এর আওতায় এলে নিমিষে তা শেষ করে দেয়। এটা আবিষ্ড়্গার করছেন আজকের বিজ্ঞানীরা।
কিন্তু কোন বিজ্ঞানাগারে লেখা পড়া না করে নবী করীম (সাঃ) সকল বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞানী, যিনি লিখতে জানেন না, পড়তে জানেন না, যিনি নাম দস্তখত করতে জানেন না, যাঁকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন-
আপনি জানতেন না কিতাব কাকে বলে? আপনি একথাও জানতেন না ঈমান কাকে বলে? (আমি আপনাকে শিক্ষা দিয়েছি।) (সূরা শুরা-৫২)
(হে রাসূল) ইতোপূর্বে আপনি কোনো কিতাব পড়তেন না এবং স্বহস্তে লিখতেনও না, যদি এমনটি হতো, তাহলে অবিশ্বাসীরা সন্দেহ পোষণ করতে পারতো। (সূরা আনকাবূত)
নবী কারীম (সাঃ) এর শিক্ষক হচ্ছেন স্বয়ং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন, তিনি তাঁকে শিখিয়েছেন। নবী কারীম (সাঃ) বলেছেন, ‘আমি পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছি শুধুমাত্র শিক্ষক হিসেবে।’ তিনি কিয়ামত পর্যন্ত পৃৃথিবীর সকল শিক্ষকমণ্ডলীর শিক্ষক। তাঁর নিকট জ্ঞান এসেছে স্বয়ং আল্লাহর পক্ষ হতে।
ভেবে আশ্চর্য হতে হয় যে, নবী কারীম (সাঃ) কোনো বিজ্ঞানাগারে লেখা পড়া করেননি, যিনি অন্ধকার যুগে এ পৃথিবীতে আগমন করে এমন এক কিতাব মানব সভ্যতাকে উপহার দিলেন, কিয়ামত পর্যন্ত তা বিজ্ঞানকে আলোকিত করতে থাকবে, কিয়ামত পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা ভিক্ষুকের মত কোরআনে কারীমের দরজায় হাত পেতে থাকবে। বিজ্ঞানীরা ব্লাক-হোল আবিষ্ড়্গার করলেন বর্তমান যুগে, অথচ প্রায় চৌদ্দশত বছর পূর্বে নবী কারীম (সাঃ) এর পবিত্র মুখে মহান আল্লাহ জানিয়েছেন-
শপথ করছি সে পতিত স্থানের যে স্থানে তারকাসমূহ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। (সূরা ওয়াকিয়া-৭৫)
তারকাগুলো যে স্থানে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় সে স্থান হল ব্লাক-হোল, সকল বিজ্ঞান ও অজানাকে জানার উৎস হচ্ছে পবিত্র কোরআনুল কারীম। বিজ্ঞানের সাথে কোরআনুল কারীমের কোন দ্বন্দ্ব নেই, যদি কোথাও বিজ্ঞানের সাথে কোরআনের মতানৈক্য ঘটে তাহলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোরআনের কাছ থেকে। কারণ কোরআন হচ্ছে সকল জ্ঞান-বিজ্ঞান, অজানাকে জানা ও কল্যাণের উৎস।
মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে উপস্থাপিত প্রায় প্রত্যেকটি বৈজ্ঞানিক তথ্যকেই ‘শপথের’ আকারে অবতীর্ণ করেছেন। এটা সম্্‌ভবতঃ গুরুত্ব বৃদ্ধির কারণেই হয়ে থাকবে। বড় আশ্চর্যের বিষয় হলো বিজ্ঞান যদি সত্যি সত্যিই কোনো সঠিক বিষয় উদ্‌ঘাটনে সফলতা লাভ করে থাকে তাহলে তা ঐ বিষয়ে পবিত্র কোরআনের বাণীকেই বেশী ফুটিয়ে তুলবে, তাতে কোনোই সন্দেহ নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন-
তোমাদের আরোহণের জন্য ও শোভা বর্ধনের জন্য তিনিই সৃষ্টি করেছেন এমন অনেক কিছুই, যা তোমরা এখন পর্যন্ত কিছুই অবগত নও। (সূরা নাহল- ৮)
মহাবিশ্বের সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কোথায় কোন্‌ বস্তু সৃষ্টি হয়েছে, কার কি কাজ বা কার কি পরিণতি তার সরাসরি কোনো জ্ঞান পূর্ব হতেই বিজ্ঞানের ছিল না। বিজ্ঞান তার চলার পথে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ এবং অনুসন্ধানের মাধ্যমে যখন যতটুকু আবিষ্ড়্গার করতে সমর্থ হয়েছে কেবল ততটুকুই বলতে পারে; এর বাইরে বিজ্ঞান পুরোপুরি অন্ধ। এমনকি কোনো বস্তু কখন আবিষ্ড়্গার হবে তাও বিজ্ঞান জানে না। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন-
(হে রাসূল!) বলে দিন! আল্লাহ ব্যতীত আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না এবং তারা জানে না তারা কখন উত্থিত হবে। (সূরা নামল-৬৫)
পবিত্র কোরআন যে মহান আল্লাহর পবিত্র বাণীসম্্‌ভার তা এ গ্রন্থের মধ্যে বর্ণিত ভবিষ্যদ্বাণীসমূহ পরবর্তী সময়ে বাস্তবে প্রতিফলিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অকাট্যভাবে প্রমাণ করে। বর্তমান বিশ্বে একমাত্র কোরআনই এমন এক অদ্বিতীয় অত্যাশ্চর্য গ্রন্থ হিসেবে মানব সমাজে স্বীকৃতি লাভ করেছে যা কুদরতী বাণী এবং একক অনন্যের অধিকারী বলে প্রমাণিত।

-- মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী