ঢাকা, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮, রবিবার রাত; ০৭:৫০:২৩
বার্তা »
  

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণে কোরআন দিবসের আলোচনা সভায় শিবির সভাপতি সেফ হোম বাংলাদেশের গুয়ান্তানামের আবুগারিব কারাগার

27 Nov 2011

.

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা· ফখরুদ্দিন মানিক বলেছেন, ইসলামী আন্দোলন ও ইসলামের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র চলছে তা নতুন নয়। সাহাবীদের হত্যা, নির্যাতন ও গুম করা হয়েছে। ঠিক তেমনী আজও ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে র্নিযাতন চলছে। ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে নির্যাতন করা হচ্ছে। সেফ হোমে জিজ্ঞাসার নামে যে নির্যাতন চালানে হচ্ছে তা নজির বিহীন। সেফ হোম এখন বাংলাদেশের আবুগারিব কারাগাড়। গুয়ান্তানামের আবুগারিব কারাগাড়ে মুসলমানদের যেভাবে আটকে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে ঠিক তেমনিভাবে বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের র্শীষ নেতৃবৃন্দকে নির্যাতন করা হচ্ছে সেফ হোম নামের আবু গারিব কারাগাড়। ঐতিহাসিক কুরআন দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আলোচনা সভাটি  শাখা সভাপতি মুহাম্মদ জহির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

শাখা সেক্রেটারী শাহ মুহা· মাহফুজুল হক এর পরিচালনায় অনুষ্ঠত আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় সভাপতি বরেন, আমরা সরকারকে জানিয়ে দিতে চাই কুরআনকে অবমাননার প্রতিবাদের জন্য ১৯৮৫ সালের সমাবেশে তৎকালিন সরকারী কর্মকর্তারা গুলি করেছিল এই সরকার তাদের পুরস্ড়্গৃত করেছে। আজ আবার কুরআন প্রেমিকদের ধরে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন ও হত্যা করার অপচেষ্টা চালানোর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ১৯৮৫ সালর ছাত্রশিবির আর ২০১১ সালের ছাত্রশিবির এক নয়। ছাত্রশিবির তার সকল কর্মীদের নিয়ে রুরআন বিরোধী সকল অপচেষ্টাকে মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। ধর্মহীনতার নামে ফতোয়া নিষিদ্ধ, নারীনীতি ও শিক্ষা নীতি বাস্তবয়ন করার যে চক্রান্ত সরকার করছে তা বাংলার জনগন বাস্তবায়ন করতে দিবেনা। মানব রচিত সমাজতন্ত্র, পুজিঁবাদ ও সমান্তবাদ নিজ দেশেই আত্ম হত্যা করেছে। তারা মানবতার মুক্তি দিতে পারেনি। বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ ইসলামী ছাত্রশিবির বিশ্বাস করে একমাত্রে ইসলামী জীবন ব্যবস্থাই পারে মানবতার মুক্তি দিতে।

শিবির সভাপতি আরো বলেন, ৫২,৭৯,৭০এর গণ আন্দোলন  ও ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দালনে যে ভূমিকা পারলন করেছিল তা ভুলে গিয়ে কলম ছেড়ে অস্ত্র হাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার জন্য ব্যস্ত তখন ছাত্র সমাজকে আর্দশের ভিত্তিতে দেশ গড়ার জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জন্ম হয়। একমাত্র মহান আল্লাহর ইবাদত এবং তারই দেয়া দ্বীনকে এই জমিনে বাস্তবায়ন করার জন্য ইসলামী ছাত্রশিবির ছাত্রসমাজের মাঝে কাজ করে যাচ্ছে। ইসলাসী ছাত্রশিবির একটি ইসলামী আন্দোলনের নাম। আমরা ইসলামী আন্দোলন করার মাধ্যমে পরকালীন মুক্তি নিশ্চিত করতে চাই ছাত্রশিবির ৩৪ বছর ধরে তার গঠনমূলক ও  ইতিবাচক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আর্দশের ভিত্তিতে মানুষের পরকালীন মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি অবিলম্বে শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
আরো আলোচনা পেশ করেন মহানগরী শিবির নেতা মুঈনুদ্দিন মৃধা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাদেক বিল্লাহ, শাহাদাত হোসেন, প্রমুখ।